বিষয়ভিত্তিক কুরআন > আসমানী কিতাব
মানবজাতির হেদায়াতের জন্য আল্লাহ কিতাব নাযিল করেছেন
আলে-ইমরান, ৩:৪ ⋮
مِنْ قَبْلُ هُدًى لِلنَّاسِ وَأَنْزَلَ الْفُرْقَانَ إِنَّ الَّذِينَ كَفَرُوا بِآيَاتِ اللَّهِ لَهُمْ عَذَابٌ شَدِيدٌ وَاللَّهُ عَزِيزٌ ذُو انْتِقَامٍ ﴿٤﴾
ইতোপূর্বে মানবজাতির পথ প্রদর্শনের জন্য; আর তিনি সেই মানদন্ড নাযিল করেছেন যা হাক্ব ও বাতিলের পার্থক্য দেখিয়ে দেয়; নিশ্চয়ই যারা আল্লাহর আয়াতের সাথে কুফুরী করে, তাদের জন্য কঠিন শাস্তি রয়েছে। আল্লাহ মহাপরাক্রমশালী, দন্ডদাতা। [তাইসিরুল কুরআন]
আলে-ইমরান, ৩:৩ ⋮
نَزَّلَ عَلَيْكَ الْكِتَابَ بِالْحَقِّ مُصَدِّقًا لِمَا بَيْنَ يَدَيْهِ وَأَنْزَلَ التَّوْرَاةَ وَالْإِنْجِيلَ ﴿٣﴾
তিনি সত্য সহকারে তোমার উপর কিতাব অবতীর্ণ করেছেন, যা পূর্বতন কিতাবের সমর্থক এবং তিনি তাওরাত ও ইঞ্জীল অবতীর্ণ করেছেন । [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহর নাযিলকৃত সকল কিতাবের উপর ঈমান আনা আবশ্যক
আল-বাকারা, ২:১৩৬ ⋮
قُولُوا آمَنَّا بِاللَّهِ وَمَا أُنْزِلَ إِلَيْنَا وَمَا أُنْزِلَ إِلَى إِبْرَاهِيمَ وَإِسْمَاعِيلَ وَإِسْحَاقَ وَيَعْقُوبَ وَالْأَسْبَاطِ وَمَا أُوتِيَ مُوسَى وَعِيسَى وَمَا أُوتِيَ النَّبِيُّونَ مِنْ رَبِّهِمْ لَا نُفَرِّقُ بَيْنَ أَحَدٍ مِنْهُمْ وَنَحْنُ لَهُ مُسْلِمُونَ ﴿١٣٦﴾
তোমরা বল, ‘আমরা আল্লাহর উপর ঈমান এনেছি এবং যা আমাদের প্রতি নাযিল করা হয়েছে এবং যা ইবরাহীম ও ইসমা‘ঈল এবং ইসহাক ও ইয়াকূব ও বংশধরদের প্রতি অবতীর্ণ করা হয়েছে এবং যা মূসা ও ‘ঈসাকে দেয়া হয়েছে আর যা অন্যান্য নাবীগণকে তাদের প্রতিপালকের পক্ষ হতে দেয়া হয়েছে (এ সবের প্রতিও ঈমান এনেছি), আমরা এদের মধ্য হতে কোন একজনের ব্যাপারেও কোন পার্থক্য করি না এবং আমরা তাঁরই কাছে আত্মসমর্পিত’। [তাইসিরুল কুরআন]
মুসা (আঃ) কে তাওরাত দেয়া হয়েছিল :
আল-মুমিনুন, ২৩:৪৯ ⋮
وَلَقَدْ آتَيْنَا مُوسَى الْكِتَابَ لَعَلَّهُمْ يَهْتَدُونَ ﴿٤٩﴾
আমি মূসাকে কিতাব দিয়েছিলাম যাতে তারা সঠিক পথ পেতে পারে। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-মায়েদা, ৫:৪৪ ⋮
إِنَّا أَنْزَلْنَا التَّوْرَاةَ فِيهَا هُدًى وَنُورٌ يَحْكُمُ بِهَا النَّبِيُّونَ الَّذِينَ أَسْلَمُوا لِلَّذِينَ هَادُوا وَالرَّبَّانِيُّونَ وَالْأَحْبَارُ بِمَا اسْتُحْفِظُوا مِنْ كِتَابِ اللَّهِ وَكَانُوا عَلَيْهِ شُهَدَاءَ فَلَا تَخْشَوُا النَّاسَ وَاخْشَوْنِ وَلَا تَشْتَرُوا بِآيَاتِي ثَمَنًا قَلِيلًا وَمَنْ لَمْ يَحْكُمْ بِمَا أَنْزَلَ اللَّهُ فَأُولَئِكَ هُمُ الْكَافِرُونَ ﴿٤٤﴾
আমি তাওরাত অবতীর্ণ করেছিলাম, তাতে ছিল সঠিক পথের দিশা ও আলো। অনুগত নাবীগণ এর দ্বারা ইয়াহূদীদেরকে ফায়সালা দিত। দরবেশ ও আলিমরাও (তাই করত) কারণ তাদেরকে আল্লাহর কিতাবের রক্ষক করা হয়েছিল আর তারা ছিল এর সাক্ষী। কাজেই মানুষকে ভয় করো না, আমাকেই ভয় কর, আর আমার আয়াতকে নগণ্য মূল্যে বিক্রয় করো না। আল্লাহ যা নাযিল করেছেন, সে অনুযায়ী যারা বিচার ফায়সালা করে না তারাই কাফির। [তাইসিরুল কুরআন]
দাউদ (আঃ) কে যাবুর দেয়া হয়েছিল
আল-ইসরা, ১৭:৫৫ ⋮
وَرَبُّكَ أَعْلَمُ بِمَنْ فِي السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ وَلَقَدْ فَضَّلْنَا بَعْضَ النَّبِيِّينَ عَلَى بَعْضٍ وَآتَيْنَا دَاوُدَ زَبُورًا ﴿٥٥﴾
আসমান আর যমীনে যারা আছে তোমার প্রতিপালক তাদেরকে ভাল ক’রেই জানেন। আমি নাবীগণের কতককে অন্যদের উপর মর্যাদা দান করেছি আর দাঊদকে দিয়েছি যাবূর। [তাইসিরুল কুরআন]
ঈসা (আঃ) কে ইঞ্জিল দেয়া হয়েছিল
আল-মায়েদা, ৫:৪৬ ⋮
وَقَفَّيْنَا عَلَى آثَارِهِمْ بِعِيسَى ابْنِ مَرْيَمَ مُصَدِّقًا لِمَا بَيْنَ يَدَيْهِ مِنَ التَّوْرَاةِ وَآتَيْنَاهُ الْإِنْجِيلَ فِيهِ هُدًى وَنُورٌ وَمُصَدِّقًا لِمَا بَيْنَ يَدَيْهِ مِنَ التَّوْرَاةِ وَهُدًى وَمَوْعِظَةً لِلْمُتَّقِينَ ﴿٤٦﴾
তাদের পশ্চাতে মারইয়াম পুত্র ‘ঈসাকে পাঠিয়েছিলাম তাদের সামনে তাওরাত কিতাবের যা কিছু ছিল তার সত্যতা প্রতিপাদনকারী হিসেবে। তাকে ইঞ্জিল দিয়েছিলাম, যাতে ছিল সত্য পথের দিশা ও আলো, এবং ইহা পূর্ববর্তী কিতাব তাওরাতকে সত্যায়নকারী এবং মুত্তাকীদের জন্য সঠিক পথের দিশা ও নাসীহাত। [তাইসিরুল কুরআন]
মুহাম্মাদ কে দেয়া হয়েছে মহাগ্রন্থ আল কুরআন
আশ-শূরা, ৪২:৭ ⋮
وَكَذَلِكَ أَوْحَيْنَا إِلَيْكَ قُرْآنًا عَرَبِيًّا لِتُنْذِرَ أُمَّ الْقُرَى وَمَنْ حَوْلَهَا وَتُنْذِرَ يَوْمَ الْجَمْعِ لَا رَيْبَ فِيهِ فَرِيقٌ فِي الْجَنَّةِ وَفَرِيقٌ فِي السَّعِيرِ ﴿٧﴾
এভাবে আমি তোমার প্রতি কুরআন আরবী ভাষায় নাযিল করেছি যাতে তুমি উম্মুল কুরা (মক্কা শহর) ও তার চার পাশে যারা আছে তাদেরকে সতর্ক করতে পার, আর সতর্ক কর একত্রিত হওয়ার দিন সম্পর্কে যে বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই। (একত্রিত হওয়ার পর) এক দল যাবে জান্নাতে, আরেক দল যাবে জাহান্নামে। [তাইসিরুল কুরআন]
ত্ব-হা, ২০:২ ⋮
مَا أَنْزَلْنَا عَلَيْكَ الْقُرْآنَ لِتَشْقَى ﴿٢﴾
তোমাকে ক্লেশ দেয়ার জন্য আমি তোমার প্রতি কুরআন নাযিল করিনি। [তাইসিরুল কুরআন]
আল-হাক্কাহ, ৬৯:৪০ ⋮
إِنَّهُ لَقَوْلُ رَسُولٍ كَرِيمٍ ﴿٤٠﴾
যে, অবশ্যই এ কুরআন এক মহা সম্মানিত রসূল [জিবরীল (আঃ)]-এর (বহন করে আনা) বাণী। [তাইসিরুল কুরআন]
আশ-শূরা, ৪২:৩ ⋮
كَذَلِكَ يُوحِي إِلَيْكَ وَإِلَى الَّذِينَ مِنْ قَبْلِكَ اللَّهُ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ ﴿٣﴾
এভাবেই মহাপরাক্রমশালী মহাজ্ঞানী আল্লাহ তোমার প্রতি এবং তোমার পূর্বে যারা ছিল তাদের প্রতি ওয়াহী নাযিল করেন। [তাইসিরুল কুরআন]
নিশ্চয়ই যারা কিতাব বিষয়ে মতভেদ করে, তারা চরম বিরোধিতায় লিপ্ত রয়েছে।
আল-বাকারা, ২:১৭৬ ⋮
ذَلِكَ بِأَنَّ اللَّهَ نَزَّلَ الْكِتَابَ بِالْحَقِّ وَإِنَّ الَّذِينَ اخْتَلَفُوا فِي الْكِتَابِ لَفِي شِقَاقٍ بَعِيدٍ ﴿١٧٦﴾
(তাদের প্রতি শাস্তির হুকুম দেয়া হয়েছে) এজন্য যে, আল্লাহ্ই কিতাবকে সত্যরূপে নাযিল করেছেন আর যারা কিতাব সম্বন্ধে মতভেদ করেছে তারা চরম মতভেদে পড়ে আছে। [তাইসিরুল কুরআন]
অথচ তাওরাত ও ইঞ্জিল তো ইবরাহিমের (আঃ) পরেই অবতীর্ণ হয়েছিল।
আলে-ইমরান, ৩:৬৫ ⋮
يَا أَهْلَ الْكِتَابِ لِمَ تُحَاجُّونَ فِي إِبْرَاهِيمَ وَمَا أُنْزِلَتِ التَّوْرَاةُ وَالْإِنْجِيلُ إِلَّا مِنْ بَعْدِهِ أَفَلَا تَعْقِلُونَ ﴿٦٥﴾
হে আহলে কিতাব! তোমরা কেন ইবরাহীম সম্পর্কে তর্ক করছ? তাওরাত এবং ইঞ্জিল তো তারপরেই অবতীর্ণ হয়েছে, তোমরা কি তাও বুঝ না? [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহর নাযিলকৃত কিতাব (কুরআন) তোমাদের নিকট বিদ্যমান কিতাবের সত্যায়নকারী।
আন-নিসা, ৪:৪৭ ⋮
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ أُوتُوا الْكِتَابَ آمِنُوا بِمَا نَزَّلْنَا مُصَدِّقًا لِمَا مَعَكُمْ مِنْ قَبْلِ أَنْ نَطْمِسَ وُجُوهًا فَنَرُدَهَا عَلَى أَدْبَارِهَا أَوْ نَلْعَنَهُمْ كَمَا لَعَنَّا أَصْحَابَ السَّبْتِ وَكَانَ أَمْرُ اللَّهِ مَفْعُولًا ﴿٤٧﴾
ওহে যাদেরকে কিতাব দেয়া হয়েছে, আমি যা নাযিল করেছি, তার উপর তোমরা ঈমান আন, যা তোমাদের কাছে যা আছে তার সমর্থক আমি তোমাদের মুখগুলোকে বিকৃত করে সেগুলোকে পিছনের দিকে ফিরিয়ে দেয়ার পূর্বে (ঈমান আন), কিংবা শনিবারওয়ালাদেরকে যেমন অভিসম্পাত করেছিলাম, এদেরকেও তেমনি অভিসম্পাত করার পূর্বে। বস্তুতঃ আল্লাহর হুকুম কার্যকরী হয়েই থাকে। [তাইসিরুল কুরআন]
অতঃপর আল্লাহ মূসাকে (আঃ) কিতাব (তাওরাত) দান করেছিলেন।
আল-আন'আম, ৬:১৫৪ ⋮
ثُمَّ آتَيْنَا مُوسَى الْكِتَابَ تَمَامًا عَلَى الَّذِي أَحْسَنَ وَتَفْصِيلًا لِكُلِّ شَيْءٍ وَهُدًى وَرَحْمَةً لَعَلَّهُمْ بِلِقَاءِ رَبِّهِمْ يُؤْمِنُونَ ﴿١٥٤﴾
অতঃপর (তোমরা অবগত হও যে) আমি মূসাকে কিতাব দিয়েছিলাম যার মাধ্যমে আমি আমার নি‘য়ামাত পূর্ণ করে দিয়েছিলাম তাদের জন্য যারা উত্তম কাজ করে, তাতে ছিল যাবতীয় বিষয়ের বিশদ বিবরণ, (তা ছিল) সঠিক পথের দিশারী ও দয়া স্বরূপ যাতে তারা তাদের প্রতিপালকের সঙ্গে সাক্ষাতের ব্যাপারে বিশ্বাস স্থাপন করে। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহর প্রদত্ত এই কিতাবটি ছিল একটি রহমত।
আল-আন'আম, ৬:১৫৪ ⋮
ثُمَّ آتَيْنَا مُوسَى الْكِتَابَ تَمَامًا عَلَى الَّذِي أَحْسَنَ وَتَفْصِيلًا لِكُلِّ شَيْءٍ وَهُدًى وَرَحْمَةً لَعَلَّهُمْ بِلِقَاءِ رَبِّهِمْ يُؤْمِنُونَ ﴿١٥٤﴾
অতঃপর (তোমরা অবগত হও যে) আমি মূসাকে কিতাব দিয়েছিলাম যার মাধ্যমে আমি আমার নি‘য়ামাত পূর্ণ করে দিয়েছিলাম তাদের জন্য যারা উত্তম কাজ করে, তাতে ছিল যাবতীয় বিষয়ের বিশদ বিবরণ, (তা ছিল) সঠিক পথের দিশারী ও দয়া স্বরূপ যাতে তারা তাদের প্রতিপালকের সঙ্গে সাক্ষাতের ব্যাপারে বিশ্বাস স্থাপন করে। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ এই কিতাব দিয়েছিলেন যেন বনী ইসরাঈল তাদের প্রতিপালকের সাথে সাক্ষাতের বিষয়ে ঈমান আনে।
আল-আন'আম, ৬:১৫৪ ⋮
ثُمَّ آتَيْنَا مُوسَى الْكِتَابَ تَمَامًا عَلَى الَّذِي أَحْسَنَ وَتَفْصِيلًا لِكُلِّ شَيْءٍ وَهُدًى وَرَحْمَةً لَعَلَّهُمْ بِلِقَاءِ رَبِّهِمْ يُؤْمِنُونَ ﴿١٥٤﴾
অতঃপর (তোমরা অবগত হও যে) আমি মূসাকে কিতাব দিয়েছিলাম যার মাধ্যমে আমি আমার নি‘য়ামাত পূর্ণ করে দিয়েছিলাম তাদের জন্য যারা উত্তম কাজ করে, তাতে ছিল যাবতীয় বিষয়ের বিশদ বিবরণ, (তা ছিল) সঠিক পথের দিশারী ও দয়া স্বরূপ যাতে তারা তাদের প্রতিপালকের সঙ্গে সাক্ষাতের ব্যাপারে বিশ্বাস স্থাপন করে। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ অবশ্যই মূসাকে (আঃ) কিতাব (তাওরাত) দিয়েছিলেন।
হূদ, ১১:১১০ ⋮
وَلَقَدْ آتَيْنَا مُوسَى الْكِتَابَ فَاخْتُلِفَ فِيهِ وَلَوْلَا كَلِمَةٌ سَبَقَتْ مِنْ رَبِّكَ لَقُضِيَ بَيْنَهُمْ وَإِنَّهُمْ لَفِي شَكٍّ مِنْهُ مُرِيبٍ ﴿١١٠﴾
ইতোপূর্বে আমি মূসাকেও কিতাব দিয়েছিলাম, কিন্তু তাতেও মতবিরোধ করা হয়েছিল। তোমার প্রতিপালকের পক্ষ থেকে একটি কথা যদি আগেই বলে দেয়া না হত, তাহলে তাদের মাঝে অবশ্যই ফায়সালাই ক’রে দেয়া হত, এ ব্যাপারে তারা অবশ্য সন্দেহপূর্ণ সংশয়ে পড়ে আছে। [তাইসিরুল কুরআন]
কিন্তু মূসার (আঃ) কওম সেই কিতাব বিষয়ে মতভেদ করেছিল।
হূদ, ১১:১১০ ⋮
وَلَقَدْ آتَيْنَا مُوسَى الْكِتَابَ فَاخْتُلِفَ فِيهِ وَلَوْلَا كَلِمَةٌ سَبَقَتْ مِنْ رَبِّكَ لَقُضِيَ بَيْنَهُمْ وَإِنَّهُمْ لَفِي شَكٍّ مِنْهُ مُرِيبٍ ﴿١١٠﴾
ইতোপূর্বে আমি মূসাকেও কিতাব দিয়েছিলাম, কিন্তু তাতেও মতবিরোধ করা হয়েছিল। তোমার প্রতিপালকের পক্ষ থেকে একটি কথা যদি আগেই বলে দেয়া না হত, তাহলে তাদের মাঝে অবশ্যই ফায়সালাই ক’রে দেয়া হত, এ ব্যাপারে তারা অবশ্য সন্দেহপূর্ণ সংশয়ে পড়ে আছে। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ বনী ইসরাঈলকে তাঁর প্রদত্ত কিতাবকে দৃঢ়ভাবে ধারণ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন।
আল-আ'রাফ, ৭:১৭১ ⋮
وَإِذْ نَتَقْنَا الْجَبَلَ فَوْقَهُمْ كَأَنَّهُ ظُلَّةٌ وَظَنُّوا أَنَّهُ وَاقِعٌ بِهِمْ خُذُوا مَا آتَيْنَاكُمْ بِقُوَّةٍ وَاذْكُرُوا مَا فِيهِ لَعَلَّكُمْ تَتَّقُونَ ﴿١٧١﴾
স্মরণ কর, আমি যখন পাহাড়কে বানী ইসরাঈলদের উপর তুলে ধরলাম তা যেন একটা সামিয়ানা। তারা ভাবল, ওটা তাদের উপর বুঝি পতিত হবে। (এমত অবস্থায় তাদেরকে বললাম) ‘তোমাদেরকে যা দিলাম তা শক্তভাবে ধারণ কর আর তাতে যা আছে তা মনে রেখ, যাতে তোমরা তাক্বওয়া লাভ করতে পার’। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ বনী ইসরাঈলকে কিতাবের অন্তর্ভুক্ত বিধানসমূহ স্মরণ রাখার নির্দেশ দিয়েছিলেন।
আল-আ'রাফ, ৭:১৭১ ⋮
وَإِذْ نَتَقْنَا الْجَبَلَ فَوْقَهُمْ كَأَنَّهُ ظُلَّةٌ وَظَنُّوا أَنَّهُ وَاقِعٌ بِهِمْ خُذُوا مَا آتَيْنَاكُمْ بِقُوَّةٍ وَاذْكُرُوا مَا فِيهِ لَعَلَّكُمْ تَتَّقُونَ ﴿١٧١﴾
স্মরণ কর, আমি যখন পাহাড়কে বানী ইসরাঈলদের উপর তুলে ধরলাম তা যেন একটা সামিয়ানা। তারা ভাবল, ওটা তাদের উপর বুঝি পতিত হবে। (এমত অবস্থায় তাদেরকে বললাম) ‘তোমাদেরকে যা দিলাম তা শক্তভাবে ধারণ কর আর তাতে যা আছে তা মনে রেখ, যাতে তোমরা তাক্বওয়া লাভ করতে পার’। [তাইসিরুল কুরআন]
নিশ্চয়ই এই কুরআনের উল্লেখ পূর্ববর্তীগণের ধর্মগ্রন্থসমূহে রয়েছে।
আশ-শুআ'রা, ২৬:১৯৬ ⋮
وَإِنَّهُ لَفِي زُبُرِ الْأَوَّلِينَ ﴿١٩٦﴾
পূর্ববর্তী কিতাবসমূহেও নিশ্চয় এর উল্লেখ আছে। [তাইসিরুল কুরআন]
এবং এই কুরআন মুমিনদের জন্য রহমতস্বরূপ।
আন-নামাল, ২৭:৭৭ ⋮
وَإِنَّهُ لَهُدًى وَرَحْمَةٌ لِلْمُؤْمِنِينَ ﴿٧٧﴾
আর তা নিশ্চিতই মু’মিনদের জন্য সঠিক পথের দিশারী ও রহমত। [তাইসিরুল কুরআন]
অতঃপর আল্লাহ মূসাকে (আঃ) কিতাব (তাওরাত) দান করেন।
আল-কাসাস, ২৮:৪৩ ⋮
وَلَقَدْ آتَيْنَا مُوسَى الْكِتَابَ مِنْ بَعْدِ مَا أَهْلَكْنَا الْقُرُونَ الْأُولَى بَصَائِرَ لِلنَّاسِ وَهُدًى وَرَحْمَةً لَعَلَّهُمْ يَتَذَكَّرُونَ ﴿٤٣﴾
আমি পূর্ববর্তী অনেক মানব গোষ্ঠীকে ধ্বংস করার পর মূসাকে কিতাব দিয়েছিলাম- মানুষের জন্য আলোকবর্তিকা, সত্যপথের নির্দেশ ও রহমতস্বরূপ যাতে তারা উপদেশ গ্রহণ করে। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ প্রদত্ত তাওরাত ছিল একটি রহমত।
আল-কাসাস, ২৮:৪৩ ⋮
وَلَقَدْ آتَيْنَا مُوسَى الْكِتَابَ مِنْ بَعْدِ مَا أَهْلَكْنَا الْقُرُونَ الْأُولَى بَصَائِرَ لِلنَّاسِ وَهُدًى وَرَحْمَةً لَعَلَّهُمْ يَتَذَكَّرُونَ ﴿٤٣﴾
আমি পূর্ববর্তী অনেক মানব গোষ্ঠীকে ধ্বংস করার পর মূসাকে কিতাব দিয়েছিলাম- মানুষের জন্য আলোকবর্তিকা, সত্যপথের নির্দেশ ও রহমতস্বরূপ যাতে তারা উপদেশ গ্রহণ করে। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ মানবজাতিকে তাওরাত দিয়েছিলেন যাতে তারা উপদেশ গ্রহণ করতে পারে।
আল-কাসাস, ২৮:৪৩ ⋮
وَلَقَدْ آتَيْنَا مُوسَى الْكِتَابَ مِنْ بَعْدِ مَا أَهْلَكْنَا الْقُرُونَ الْأُولَى بَصَائِرَ لِلنَّاسِ وَهُدًى وَرَحْمَةً لَعَلَّهُمْ يَتَذَكَّرُونَ ﴿٤٣﴾
আমি পূর্ববর্তী অনেক মানব গোষ্ঠীকে ধ্বংস করার পর মূসাকে কিতাব দিয়েছিলাম- মানুষের জন্য আলোকবর্তিকা, সত্যপথের নির্দেশ ও রহমতস্বরূপ যাতে তারা উপদেশ গ্রহণ করে। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ পূর্ববর্তী কিতাবসমূহের মতই নবী মুহাম্মাদ (ﷺ)-এর প্রতি কুরআন নাযিল করেছেন।
আল-আনকাবূত, ২৯:৪৭ ⋮
وَكَذَلِكَ أَنْزَلْنَا إِلَيْكَ الْكِتَابَ فَالَّذِينَ آتَيْنَاهُمُ الْكِتَابَ يُؤْمِنُونَ بِهِ وَمِنْ هَؤُلَاءِ مَنْ يُؤْمِنُ بِهِ وَمَا يَجْحَدُ بِآيَاتِنَا إِلَّا الْكَافِرُونَ ﴿٤٧﴾
(পূর্বে যেভাবে নাযিল করেছিলাম) এভাবেই আমি তোমার প্রতি কিতাব (কুরআন) নাযিল করেছি। কাজেই আমি যাদেরকে কিতাব দিয়েছিলাম তারা তাতে বিশ্বাস করে, আর তাদেরও (অর্থাৎ মক্কার মুশরিকদেরও) কতক তাতে বিশ্বাস স্থাপন করে, অবিশ্বাসীরা ছাড়া আমার নিদর্শনাবলীকে কেউ অস্বীকার করে না। [তাইসিরুল কুরআন]
পূর্ববর্তী রাসূলগণ তাদের নিজ নিজ জাতির কাছে আসমানী গ্রন্থ (যবুর) নিয়ে এসেছিলেন।
ফাতির, ৩৫:২৫ ⋮
وَإِنْ يُكَذِّبُوكَ فَقَدْ كَذَّبَ الَّذِينَ مِنْ قَبْلِهِمْ جَاءَتْهُمْ رُسُلُهُمْ بِالْبَيِّنَاتِ وَبِالزُّبُرِ وَبِالْكِتَابِ الْمُنِيرِ ﴿٢٥﴾
তারা যদি তোমাকে মিথ্যে ব’লে অস্বীকার করে, (তাহলে জেনে রেখ, এটা কোন নতুন ব্যাপার নয়, কারণ) তাদের পূর্ববর্তীরাও (নবী-রসূলদেরকে) মিথ্যে ব’লে অস্বীকার করেছিল। তাদের কাছে তাদের রসূলগণ সুস্পষ্ট নিদর্শন, লিখিত দলীল ও আলোকপ্রদ কিতাব নিয়ে এসেছিল। [তাইসিরুল কুরআন]
পূর্ববর্তী রাসূলগণ তাদের নিজ নিজ জাতির কাছে আলোকোজ্জ্বল কিতাব নিয়ে এসেছিলেন।
ফাতির, ৩৫:২৫ ⋮
وَإِنْ يُكَذِّبُوكَ فَقَدْ كَذَّبَ الَّذِينَ مِنْ قَبْلِهِمْ جَاءَتْهُمْ رُسُلُهُمْ بِالْبَيِّنَاتِ وَبِالزُّبُرِ وَبِالْكِتَابِ الْمُنِيرِ ﴿٢٥﴾
তারা যদি তোমাকে মিথ্যে ব’লে অস্বীকার করে, (তাহলে জেনে রেখ, এটা কোন নতুন ব্যাপার নয়, কারণ) তাদের পূর্ববর্তীরাও (নবী-রসূলদেরকে) মিথ্যে ব’লে অস্বীকার করেছিল। তাদের কাছে তাদের রসূলগণ সুস্পষ্ট নিদর্শন, লিখিত দলীল ও আলোকপ্রদ কিতাব নিয়ে এসেছিল। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ মূসাকে (আঃ) কিতাব (তাওরাত) দান করেছিলেন।
হা-মীম আস-সাজদা, ৪১:৪৫ ⋮
وَلَقَدْ آتَيْنَا مُوسَى الْكِتَابَ فَاخْتُلِفَ فِيهِ وَلَوْلَا كَلِمَةٌ سَبَقَتْ مِنْ رَبِّكَ لَقُضِيَ بَيْنَهُمْ وَإِنَّهُمْ لَفِي شَكٍّ مِنْهُ مُرِيبٍ ﴿٤٥﴾
(ইতোপূর্বে) মূসাকে আমি কিতাব দিয়েছিলাম, কিন্তু তাতে মতভেদ করা হয়েছিল। তোমার প্রতিপালক যদি পূর্বেই একটি কথা ঘোষণা করে না দিতেন, তাহলে তাদের মধ্যে (মতভেদের ব্যাপারে) ফয়সালা করেই দিতেন। তারা এ ব্যাপারে এক অস্থিরতাপূর্ণ সন্দেহে লিপ্ত। [তাইসিরুল কুরআন]
অতঃপর মূসার (আঃ) সম্প্রদায় সেই কিতাব নিয়ে মতভেদ করেছিল।
হা-মীম আস-সাজদা, ৪১:৪৫ ⋮
وَلَقَدْ آتَيْنَا مُوسَى الْكِتَابَ فَاخْتُلِفَ فِيهِ وَلَوْلَا كَلِمَةٌ سَبَقَتْ مِنْ رَبِّكَ لَقُضِيَ بَيْنَهُمْ وَإِنَّهُمْ لَفِي شَكٍّ مِنْهُ مُرِيبٍ ﴿٤٥﴾
(ইতোপূর্বে) মূসাকে আমি কিতাব দিয়েছিলাম, কিন্তু তাতে মতভেদ করা হয়েছিল। তোমার প্রতিপালক যদি পূর্বেই একটি কথা ঘোষণা করে না দিতেন, তাহলে তাদের মধ্যে (মতভেদের ব্যাপারে) ফয়সালা করেই দিতেন। তারা এ ব্যাপারে এক অস্থিরতাপূর্ণ সন্দেহে লিপ্ত। [তাইসিরুল কুরআন]
নাকি তোমাদের জন্য ঐশী কিতাবসমূহে শাস্তিমুক্তির কোনো ছাড়পত্র রয়েছে?
আল-কামার, ৫৪:৪৩ ⋮
أَكُفَّارُكُمْ خَيْرٌ مِنْ أُولَئِكُمْ أَمْ لَكُمْ بَرَاءَةٌ فِي الزُّبُرِ ﴿٤٣﴾
তোমাদের (মক্কাবাসী) কাফিররা কি এ লোকেদের চেয়ে ভাল? নাকি (আসমানী) গ্রন্থাদিতে তোমাদেরকে ক্ষমা করে দেয়ার কথা লেখা আছে? [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ কাফিরদেরকে জিজ্ঞাসা করেন: 'তোমাদের কাছে কি এমন কোনো কিতাব আছে যা তোমরা অধ্যয়ন করো?'
আল-ক্বলাম, ৬৮:৩৭ ⋮
أَمْ لَكُمْ كِتَابٌ فِيهِ تَدْرُسُونَ ﴿٣٧﴾
তোমাদের কাছে কি (আল্লাহর নাযিলকৃত) কোন কিতাব আছে যা পড়ে তোমরা জানতে পার যে, [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহর প্রেরিত পবিত্র صحیফাগুলোতে সঠিক ও সুপ্রতিষ্ঠিত বিধানসমূহ রয়েছে।
আল-বায়্যিনাহ, ৯৮:৩ ⋮
فِيهَا كُتُبٌ قَيِّمَةٌ ﴿٣﴾
যাতে আছে সঠিক বিধান। [তাইসিরুল কুরআন]
আল্লাহ পূর্ববর্তী উপদেশের (الذِّكْرِ) পর যাবুর কিতাবেও একটি বিধান লিপিবদ্ধ করেছেন।
আল-আম্বিয়া, ২১:১০৫ ⋮
وَلَقَدْ كَتَبْنَا فِي الزَّبُورِ مِنْ بَعْدِ الذِّكْرِ أَنَّ الْأَرْضَ يَرِثُهَا عِبَادِيَ الصَّالِحُونَ ﴿١٠٥﴾
(এর আগে মূসাকে) বাণী দেয়ার পর আমি যুবূরে লিখে দিয়েছিলাম যে, আমার সৎকর্মপরায়ণ বান্দাহ্গণই পৃথিবীর উত্তরাধিকার লাভ করবে। [তাইসিরুল কুরআন]